Monday, August 29, 2016

বিশ্ব-রাজনীতি নিয়ে যারা ইন্টারেস্টেড তাদের জন্য!

বড় পোস্ট এলার্ট! বিশ্ব-রাজনীতি নিয়ে যারা ইন্টারেস্টেড তাদের জন্য!
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে? নাকি এখন
যুদ্ধের প্রাককালীন অবস্থা চলছে? শুরু হলেও বা
কিভাবে? সব তো ঠিকঠাকই চলছে। তাহলে???
এই পোস্টটি পড়ার পরে আশা করি সবাই একটু
হলেও ধারণা পাবেন। কিন্তু, সেজন্যে
আমাদের জানতে হবে কিভাবে একটা
বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। আসুন, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
আলোকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কিত এসব প্রশ্নগুলো
একটু ভেবে দেখি। কারণ,আমাদের উচিত
ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়া।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
মাত্র ১৮৭১ সালে জার্মানী একটি রাষ্ট্র
হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবুও তৎকালীন
সাম্রাজ্যবাদের যুগে ১৮৯৮ এ এসেই তাদের
উচ্চাকাঙ্খী সম্রাট, কাইজার দ্বিতীয়
উইলহেইমের মনে ইউরোপের বাইরেও সাম্রাজ্য
স্থাপনের খায়েশ জাগে। অবশ্য জার্মান
অর্থনীতি এবং সামরিক শক্তি সেই স্বপ্ন
দেখার মত অবস্থানে ছিলও।
অপরদিকে রাশিয়ার সম্রাট দ্বিতীয়
নিকোলাসও ক্ষয়িষ্ণু অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান
সাম্রাজ্যের এলাকায় নিজ প্রভাব বিস্তারের
দিকে নজর ছিল, এবং ঘরোয়া সমস্যা মানে
তৎকালীন কম্যুনিস্ট বিপ্লব থেকে জনগণের নজর
ফেরানোর জন্য এবং ক্ষমতা নিশ্চিতের জন্য
একটি যুদ্ধজয় খুব ইতিবাচক মনে করে। এছাড়াও
অস্ট্রিয়ার সুত্র ধরে সার্বিয়ায় জার্মান
উপস্থিতি রাশিয়া একটি নিশ্চিত হুমকি স্বরূপ
দেখে!
ভৌগলিকভাবে ইউরোপের বাইরে অবস্থিত
একটি দ্বীপরাষ্ট্র ব্রিটেন , প্রচন্ড শক্তিশালী
নৌ-শক্তির অধিকারী সাম্রাজ্যটা এবং নৌ-
সামরিক শক্তি দ্বারা তৎকালীন সময়ের
অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে একক আধিপত্য
বিস্তার করে রেখেছিল এবং বিশ্বজুড়ে
ছড়িয়ে থাকা এর কলোনিগুলোর সাহায্যে
তৎকালীন বিশ্বে ব্রিটেন ছিল একক পরাশক্তি।
জার্মান উত্থান ছিল তার চোখে নিজ শক্তির
প্রতি হুমকি! এবং জার্মান দৃষ্টি ছিল
ব্রিটেনকে চ্যালেঞ্জ করা!
অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরী ও অটোমান সাম্রাজ্য
২টি অতীতে প্রচন্ড শক্তিশালী কিন্তু সেইসময়
পতনের মুখে থাকা শক্তি, জার্মানীর
সাহায্যে তাদের হারানো ক্ষমতা ফিরে
পাবার স্বপ্ন ছিলই।
ফ্রান্স তখন, আফ্রিকার কলোনী থেকে প্রাপ্ত
সম্পদের কারনে বেশ ভাল কন্ডিশনে থাকলেও
একটি শক্তিশালী জার্মানী মানেই তাদের
ভয়াবহ ক্ষতি।
এমন অবস্থায়, ১৯১৪ সালে অস্ট্রো-হাঙ্গের
ীয়ান সাম্রাজ্যের হবু সম্রাট, ডিউক
ফার্ডিনান্ড সিংহাসনে আরোহনের কিছুদিন
আগে সারায়েভো শহরে স্ত্রী সহ সার্বিয়ান
বিচ্ছিন্নতাবাদী আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়!
( এটাকে দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে
তাৎপর্যপূর্ণ হত্যা অথবা সবচেয়ে ভুল হত্যাকান্ড
বললে ভুল হবে না! )
এর ফলে সিংহাসন বসা নিয়ে অস্ট্রো-
হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্য মুশকিলে পড়ে, এবং
সার্বিয়ার উপর যার পর নাই ক্ষুদ্ধ হয়। সার্বিয়া
একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কিন্তু অস্ট্রিয়া
একটি নিদৃষ্ট সময় বেঁধে দেয় প্রতিবেদন পেশ
করার জন্য এবং বিচারের কিছু শর্ত বেঁধে
দিয়ে তদন্ত কমিটিতে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান
সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি নিয়োগের দাবী
জানায়। কিন্তু সার্বিয়া এর সব শর্ত মানতে
অস্বীকার করে।
তখন জার্মান সম্রাট দ্বিতীয় উইলহেইম
অস্ট্রিয়াকে সম্পুর্ন সমর্থন দেবার ঘোষনা দেয়
এবং অস্ট্রিয়ান দাবীর সাথে সহমত পোষন
করে।আক্রমানাত্মক পদক্ষেপ নেবার জন্য
জার্মান সমর্থন অস্ট্রিয়ার জন্য ব্যাপক
প্রয়োজনীয় ছিল, কিন্তু জার্মানী-অস্ট্রিয়ার
এই যৌথ শক্তি'র উত্থানের বিপক্ষে জার্মানীর
২ প্রতিবেশী ফ্রান্স এবং রাশিয়া সার্বিয়ার
পেছনে এসে দাড়ায়।
এবং অস্ট্রিয়ার দ্বারা সার্বিয়া আক্রমনের
পরপর ভিন্ন ভিন্ন চুক্তি অনুসারে জার্মানী-
অস্ট্রিয়ার সাথে ফ্রান্স- রাশিয়া যুদ্ধে
জড়িয়ে পড়ে।
এবং অন্য একটি জার্মান-অটোমান চুক্তি
অনুযায়ী রাশিয়া যুদ্ধে যোগ দিলে অটোমান
সাম্রাজ্য জার্মানীর পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেয়ার
কথা ছিল, তাই অটোমান সাম্রাজ্যও যুদ্ধে যোগ
দেয়!
জার্মানী নিরপেক্ষ বেলজিয়াম আক্রমন করলে
তখন পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটেন জার্মানীর
বিপক্ষে যুদ্ধে ঘোষনা করে! ১৯১৭ সালে
রাশিয়ায় বলশেভিক ( কম্যুনিস্ট) বিপ্লবের ফলে
রাশিয়া যুদ্ধ ত্যাগ করে।আবার, মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এবং ভৌগলিক ও
সামরিক শক্তি ব্যাপক থাকলেও তাদের নীতি
ছিল (যেমন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েও)
যেকোন ইউরোপীয়ান ঝামেলার বাইরে
থাকা।
কিন্তু ফ্রান্স-ব্রিটেনকে রসদ যোগান দেয়ার
অভিযোগে জার্মান সাবমেরিন যখন ৭টি
যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ ডুবিয়ে দেয় তখন
যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত যুদ্ধে যোগ দিয়ে এটাকে
বিশ্বযুদ্ধ রূপ দেয়! এবং মুলত এরপরই জার্মান পরাজয়
নিশ্চিত হয়!
.
.
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধঃ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত জার্মানীকে ২৬৯
বিলিয়ন "গোল্ড মার্ক" জরিমানা করা হয় এবং
১৮৭২ এর যুদ্ধে জার্মান দখলকৃত "আলসাক-লরেন"
এলাকা ফ্রান্স নিয়ে নেয়! জার্মানীকে
অস্ত্রহীন করে ফেলা হয়। এবং অস্ট্রো-হাঙ্গের
ীয়ান সাম্রাজ্যকে একদম খন্ড খন্ড করে ফেলা
হয়।
অটোমান সাম্রাজ্যের উত্তর আফ্রিকা এবং
মধ্যপ্রাচ্য বেদখল করা হয় এবং তুরস্কের নানা
অংশ দখল করার লক্ষ্যে ব্রিটেন-ফ্রান্স-ইটালী-
গ্রিস তুর্কী ভুখন্ডে ঢুকে যায় ( যদিও কামাল
আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুরস্ক নিজেদের ভুমি
রক্ষা করতে সক্ষম হয় )।
সবচেয়ে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে , যুদ্ধ পরবর্তী
মূল নেতা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইলসনের
সাথে! মার্কিন নেতৃত্বে পুরো দুনিয়া বদলে
দেবার স্বপ্ন দেখিয়ে ইউরোপ থেকে দেশে
ফেরার পর মার্কিন কংগ্রেস উইলসনের সমস্ত
প্ল্যান খারিজ করে দেয়, এবং নিজেদের
ইউরোপীয়ান ঝামেলা থেকে দুরে রাখার
সিদ্ধান্ত নেয়!!!!! ( যেটা নতুন বিশ্ব ব্যাবস্থা
সফল করার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে যায় )
এই অবস্থায়, ১০ বছর পেরিয়ে যায়। তখনো বিশ্ব
জুড়ে ব্রিটিশ ও ফ্রেঞ্চ সাম্রাজ্য ছিল এবং
নিদৃষ্ট যোগ্য কোন নেতৃত্ব না থাকায় দেশগুলো
নব্য লিবেরাল আইডিয়া ঠিক মত আত্মস্থ করতে
ব্যার্থ হওয়ায়, ফলে "লীগ অব নেশন" কার্যত কাজ
করতে পারছিল না! এবং রাষ্ট্রগুলো নিজ নিজ
স্বার্থ রক্ষা করার নীতি এবং সামগ্রিক
চিন্তার অভাবে ধীরে ধীরে এটা পুরোপুরি
অকার্যকর হয়ে পড়ে
এই অবস্থায়, বিজয়ী ব্রিটেন বা ফ্রান্স
আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ন্ত্রনে অনাগ্রহী
হয়ে নিজ নিজ হিসাব ঠিক রাখায় ব্যাস্ত হয়ে
পড়ে। ফ্রান্সের লক্ষ্যে ছিল জার্মানীর
ভবিষ্যত যুদ্ধ করার ক্ষমতা সম্পূর্ণ নিশ্চিন্হ করে
ফেলতে, কিন্তু ব্রিটেন হয়তো "নেপোলিয়ান"
যুগের কথা স্বরন করে "ব্যালেন্স অব পাওয়ার"
ঠিক রাখার জন্যই জার্মানীর সামরিক
উপস্থিতির সমর্থন করে! এবং জার্মানী আবার
নিজেদের সামরিক বাহিনী গঠনের অনুমুতি
পায়! ( এটা একটা মহা গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ
ঘটনা, কারন ১ম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত জার্মানীর
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ফিরে আসার পথ
উন্মুক্ত হয় এর দ্বারাই)
এরই মাঝে বিশ্বজুড়ে দেখা দেয় "অর্থনৈতিক
মহামন্দা" ( বর্তমান সময়ের মতই অবস্থা! ) করুন
অর্থনৈতিক পরিবেশে ইটালীতে ফ্যাসিস্ট
মুসলিনির আবির্ভাব ঘটে এবং জার্মানীতে
নির্বাচিত হয়ে যায় এডলফ হিটলার!!!
অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলায় সব দেশই নিজ নিজ
স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল এবং
চিরসত্য হলো, সামাজিক-অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খল
পরিবেশে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চেয়ে
স্বৈরাচারী শাষন বেশী কার্যকর। তাই ফ্রান্স-
ব্রিটেনের তুলনায় জার্মানী-ইটালী'র
অর্থনীতি দ্রুত সংগঠিত হচ্ছিল!
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম পক্ষ, তুর্কী এইবার
নিজেদের বেশ কৌশলে যুদ্ধ থেকে দুরে
রাখে। যদিও তুর্কি জনগণ জার্মানদের প্রতি
সহানুভুতিশীল ছিল, কিন্তু তুর্কি সরকার মিত্র
বাহিনীর সাথে মিত্রতা রক্ষা করে চলে
পুরো সময়জুড়ে!
এবং এশিয়ার শক্তি জাপানও যখন ফ্যাসিস্ট
নীতি গ্রহন করে তখন, জার্মানী-ইটালী ও
জাপান ৩টি দেশ মিলে সারা বিশ্বে
তৎকালীন আর্থ-সামাজিক ব্যাবস্থা বদলে
"জাতিভিত্তিক" নতুন ব্যাবস্থা প্রণোয়নের
পরিকল্পনা গ্রহন করে।
এবং সেই লক্ষে কাজ করা শুরু করে দেয় শীঘ্রই।
পরবর্তী ইতিহাস বেশ সহজ!
ফ্যাসিস্ট ইটালি এবং জার্মানীর সাথে প্রথম
বিশ্বযুদ্ধে আংশিক জয়ী জাপানও সামরিক
বাহিনীর প্রভাব বৃদ্ধি পেয়ে ফ্যাসিস্ট
রিজিম কায়েম হয়!
এবং এই ৩ দেশ তৎকালীন আন্তর্জাতিক
রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তনের পরিকল্পনা
করে। ওদের দাবী ছিল, তৎকালীন ব্যাবস্থা
সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটেন এবং ফ্রান্সেরই
সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করছে, অন্যদের
ঠকাচ্ছে ঐ ব্যাবস্থা!
প্রথম আগ্রাসী হয় জাপান, ১৯৩১ সালে চীনের
মাঞ্চুরিয়া, ১৯৩৭ সালে চীনের মুল ভুখন্ড দখল
করে।
ইটালী ১৯৩৫ সালে আবিসিনিয়া এবং ১৯৩৯
আলবানিয়া দখল করে।
এবার এ্যাকশন শুরু করে হিটলার! তারও স্বপ্ন ছিল
তৎকালীন বিশ্বব্যাবস্থা বদলে দিয়ে একটি
জাতিভিত্তিক ব্যাবস্থা প্রনোয়ন করা। তার
মতে তৎকালীন ব্যাবস্থা বদলে জার্মান
জাতির সন্মান পুনরুদ্ধার এবং শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত
করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়!
১৯৩৮ সালে অস্ট্রিয়াকে জার্মানীর সাথে
একীভুত করা হয়। ( যদিও অস্ট্রিয়ানরা বলে
হিটলার এমনটা জোর করে করেছিল , কিন্তু
আমার মনে হয় ঘটনা ভিন্ন )
১৯৩৯ সালে চেকোস্লোভাকিয়ায় বসবাসরত
জার্মানদের নিরাপত্তার অজুহাতে
চেকোস্লোভাকিয়া দখল করে ফেলে!
ব্রিটেন এবং ফ্রান্স ততদিনে ভবিষ্যৎ নিয়ে
চিন্তিত হতে শুরু করেছে। কিন্তু জার্মান
শক্তির কথা মাথায় রেখে ধৈর্য্য ধরে
পর্যবেক্ষন করে যাচ্ছিল এবং নাৎসিদের চেক
দখল পর্যন্ত মেনে নিয়েছিল।
কিন্তু নাৎসীদের পরবর্তী সম্ভাব্য শিকার
পোল্যান্ডের উপর নজর রাখছিল! ২৩ আগস্ট ১৯৩৯
সালে দুনিয়াকে স্তব্ধ করে দিয়ে নাৎসি
হিটলারের সাথে রাশিয়ার কম্যুনিস্ট নেতা
স্ট্যালিন একটি অনাগ্রাসন চুক্তি সম্পন্ন করে!
রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যাবার পর ব্রিটেন
এবং ফ্রান্স এখন কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না
চিন্তা করে জার্মানী একসপ্তাহ পরই ১লা
সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে পোল্যান্ড আক্রমন করে!
কিন্তু নাৎসীদের অবাক করে দিয়ে,
পোলিশদের পাশে দাড়ায় ব্রিটেন ও ফ্রান্স
এবং তারা জার্মানীর বিপক্ষে যুদ্ধ ঘোষনা
করে দেয়!
হিটলার দ্রুতই প্রচন্ড শক্তিশালী জার্মান
সেনাবাহিনীকে বলকান অঞ্চল, উত্তর
আফ্রিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ অভিমুখে যাত্রা
করায়। তারা নরওয়ে, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম,
লুক্সেমবার্গ, হল্যান্ড দখল করে নেয়। ফ্রেঞ্চ-
ব্রিটিশ সব প্রতিরোধ উড়ে যায়! ১৯৪০ সালেই
জুলাই মাসের মধ্যে প্যারিস পর্যন্ত দখল করে
ফেলে নাৎসি জার্মানী! এবং ব্রিটেনের
উপর ভয়াবহ বিমান হামলা চালায়!
এরপরই ঘটে অদ্ভুদ সেই ভুল! কোন এক অজানা
কারনে ব্রিটেন সম্পুর্ণ দখল না করেই সদ্য মিত্র
রাশিয়া আক্রমন করে বসে! ( একই ভুল প্রথম
বিশ্বযুদ্ধে করেছিল করেছিল জার্মান কাইজার
দ্বিতীয় উইলহেইম )
এরপর অপেক্ষা করছিল তারচেয়ে বড় ভুল! জাপান
পার্ল হার্বারে তখন পর্যন্ত যুদ্ধের বাইরে
থাকা মার্কিন ঘাটি আক্রমন করে বসে!
( একই ভুল এর আগে করেছিল জার্মানি মার্কিন
জাহাজ ডুবিয়ে)
এবং একই সময়ে জার্মানীও যুক্তরাষ্ট্রের
বিপক্ষে যুদ্ধ ঘোষনা করে!
জাপানী আক্রমন এবং জার্মান যুদ্ধ ঘোষনার
প্রেক্ষিতে একঘরে নীতি বাদ দিয়ে মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন রুজভেল্ট ব্রিটেন ও
সোভিয়েত বাহিনীর সাথে মিত্রতা করে
যুদ্ধে যোগ দেয়!
এরপর আরো ৪ বছর জার্মানী চতুর্দিকে ছড়িয়ে
পড়া ফ্রন্টে যুদ্ধ করে যায় এবং কনসান্ট্রেশন
ক্যাম্পে ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ হত্যা করে!
রাশিয়ায় ব্যাপক সৈন্য হারিয়ে এবং মিত্র
বাহিনীর বিমানহামলায় জার্মানীর অভ্যন্তর
বিদ্ধস্ত হয়ে ব্যাপক শক্তি হারিয়ে এক পর্যায়ে
১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পন করে!
এরপর পরাজয়ের দাড়প্রান্তে দাড়িয়ে থাকা
জাপান সাধ্যমত লড়ে যাচ্ছিল কিন্তু
জার্মানীর আত্মসমর্পনের ৩ মাস পর হিরোশিমা
ও নাগাসাকির ২ টা এ্যাটম বোমার বিস্ফোরন
তাদেরও আত্মসমার্পন তড়ান্বিত করে!
.
এই দুইটা বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস ঘেটে আমরা
নিম্নে উল্লিখিত কিছু ধারণা পাই।
১। প্রতিটা বিশ্বযুদ্ধ শুরু করার জন্যেই পিছনেই
কারণ হচ্ছে বিশ্বের একচ্ছত্র আধিপত্য হস্তগত
করা।
২। প্রতিটা বিশ্বযুদ্ধের প্রথম দিকে
'বাইলেটারাল ওয়ার' হিসেবে আত্নপ্রকাশ
করে। কিন্তু, পরবর্তীতে সেটা 'চেইন অব ওয়ার'
এ পরিণত হয়। অর্থাৎ, এক দেশ আরেকদেশের
সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় কোন
একটা দেশ আক্রমণের শিকার হয়, ফলে অপর দেশ
অনাকাংখিতভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ঠিক
যেমন, কান টানলে মাথা আসে।
৩। প্রতিটা বিশ্বযুদ্ধই প্রথম দিকে বড় শক্তিধর
দেশগুলো কর্তৃক ছোট ছোট কিন্তু সম্পদশালী
দেশগুলোতে আক্রমণ ও দখলের ঘটনা আছে। কিন্তু,
সেখান থেকে চেইন অব ওয়ার এর কারণে অপর
দেশের অংশগ্রহণ অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। যার
ফলে যুদ্ধের সীমানা বাড়তে বাড়তে
বিশ্বযুদ্ধে রূপ নেয়।
তাহলে আমরা বলতে পারি, একটা বিশ্বযুদ্ধ
সৃষ্টির পর্যায় (period) কিংবা, ধাপ (Step) চারটি।
যথা:-
ধাপ ১। বিশ্বজুড়ে একাধিক দেশের একচ্ছত্র
আধিপত্য বিস্তার করার আকাংক্ষা ও সেই
লক্ষ্যে শক্তি অর্জন।
ধাপ ২।অর্জিত শক্তি প্রদর্শনের জন্য কোন এক বা
একাধিক দেশ আক্রমণ করা
ধাপ ৩। অপর আধিপত্যবাদী শক্তি কর্তৃক প্রতি
আক্রমণ।(হয় অপর শক্তির উথানের শংকায় অথবা,
চেইন অব ওয়ার এর কারণে)
ধাপ ৪। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ 'চেইন অব ওয়ার' এর
মাধ্যমে বাড়তে থাকা ও সমগ্র বিশ্বে (প্রায়)
ছড়িয়ে পড়া।
বলা বাহুল্য যে, আমরা কেবল চতুর্থ ধাপেই বুঝতে
পারি যে, একটা বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছে। (কিন্তু
ইসলামিক এস্কাটলজির ছাত্ররা এর আগেই বুঝে
যাব ইনশাআল্লাহ)।
এখন, এই কন্ডিশনগুলোর আলোকে আলোচনা করব
আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোন ধাপে আছি।
.
আমরা দেখতে পাচ্ছি,
১ম ধাপঃআমেরিকা বিশ্বে একক আধিপত্য
বিস্তার করতে চাচ্ছে। তার প্রকাশ্য বাধা
রাশিয়া। আবার, রাশিয়াও বিশ্বে একক
আধিপত্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে। আর, তার
প্রকাশ্য বাধা আমেরিকা। অপরদিকে, ইসরাইলও
বিশ্বে একক আধিপত্য বিস্তার করতে চাচ্ছে।
কিছুটা অন্য কায়দায়।
২য় ধাপঃ ছোট ছোট কিন্তু সম্পদশালী দেশ
আক্রমণ ও দখল নেয়া।আমরা দেখতে পাচ্ছি,
আমেরিকা তেলসমৃদ্ধ ইরাক ও আফগানিস্তান
দখল করেছে।
৩য় ধাপঃ আমেরিকার পরবর্তী শিকার ছিল
ইউক্রেন (যাতে রাশিয়াকে কোনঠাসা করা
যায়)। কিন্তু, বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে
রাশিয়া ইউক্রেনের (ক্রিমিয়া) দখল অর্জন
করে। আমেরিকার পরবর্তী প্রচেষ্টা সিরিয়া
দখল করা। কিন্তু, সেখানে তার প্রধান প্রতিপক্ষ
এখন রাশিয়া।এখন, রাশিয়া ও আমেরিকা দুই
গ্রুপই সিরিয়ার দখল নিয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে
যাচ্ছে।
এই তিনটি ধাপ সম্পন্ন হয়ে গেছ)
৪র্থ ধাপঃ এই ধাপ নিয়ে সবাই একমত নাও হতে
পারেন (আমি নিজেও জানি না আমার
ভবিষ্যত ধারণা সঠিক হবে কি না। যেটা
একমাত্র আল্লাহই জানেন)। তবু বলছি, একটু মনযোগ
দিয়ে খেয়াল করুন। হাদিসের মাধ্যমে আমরা
পূর্বাভাস পাই যে, মালহামা শুরু হবে সিরিয়া
থেকে (ফোরাত উপকূল থেকে)। সাম্প্রতিক তথ্য
অনুযায়ী, সিরিয়া তে তুরস্ক অভিযান
পরিচালনা করছে। কিন্তু, সিরিয়ার সাথে
তুরস্কের কুটনৈতিক সম্পর্ক কিন্তু ভালো নয়। তাই,
তুরস্কের এই পদক্ষেপের ফলে যেকোন সময় তুরস্ক-
সিরিয়া যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। যার ফল হবে
মালহামা বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। কারণ, তুরস্ক হচ্ছে
ন্যাটোর সদস্য। অন্যদিকে, সিরিয়া হচ্ছে
'সিরিয়া-ইরান-রাশিয়া এলায়েন্স' এর সদস্য।
কাজেই এই দুয়ের মধ্যকার যুদ্ধ চেইন অব ওয়ার এর
মাধ্যমে দিতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের
আনুষ্ঠানিক রূপ।(আল্লাহ ভালো জানেন)

Sunday, August 14, 2016

ভবিষ্যতে সিলিন্ডার গ্যাস

২০১৫ সালের শুরুর দিকে আমি বলেছিলাম ভবিষ্যতে সিলিন্ডার গ্যাস ই হবে বাসা বাড়ীর গ্যাসের উৎস। যার ধারাবাহিকতায় মানুষকে অভ্যাস্ত করতে গ্যাসের দাম প্রথমে ৬৫০ আবার এখন ১১০০/১২০০ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে তা নিয়ে কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিদ্যুতের দাম প্রায় তিন শতাংশ এবং গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারন বিদেশী কোম্পানীর বেশী দামে গ্যাস কেনার কথা বলা হচ্ছে। গত পাঁচ-ছয় বছরে রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর গ্যাস উত্তোলন দেশের মোট উত্তোলনের ৫৫ শতাংশ থেকে কমে ৪৫ শতাংশ হয়েছে। কিন্তু একই সময়ে বিদেশি কোম্পানিগুলোর উত্তোলন ৪৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৫ শতাংশে উঠেছে। ফলে বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে গ্যাস কেনার জন্য সরকারের ব্যয় গত ছয় বছরে বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ।
_____________
বিদেশী কোম্পানির কাছ থেকে গ্যাস কেনা হয় প্রোডাকশান শেয়ারিং কনট্রাক্ট সিস্টেমে যাকে পিএসসি বলে। ফলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী না করে, সাগরের গ্যাস উত্তোলণের যোগ্য না করে, বিদেশী কোম্পানির উপর এত নির্ভরশীল হয়ে উঠনোর কারন কি? কারা এর নেপথ্যে ?
এটা তো স্বাভাবিক যে বিদেশী কোম্পানি বেশী দামে গ্যাস বিক্রি করবেই, তারা তো আর লাভ না করার জন্য আসেনি এই দেশে। যে হারে বিদেশী কোম্পানি গুলো কে এদেশে আনা হচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে বিপুল দামে নিজেদের গ্যাস বিদেশী কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে হবে, এই কারনেই ম্যংগো পাবলিককে আগে থেকেই অভ্যস্ত করতে এই মূল্য বৃদ্ধির চেস্টা !!
এই কারনেই আবুল মালের মত অথর্ব, রাবিশ টাইপের ছাগল বলতে পারে গ্যাস দিয়ে রান্না করা অপচয়। যে ছাগল জানেই না বাংলাদেশে এখনো ১/২ টাকা চলে। এরা কথায় কথায় আমেরিকাার উদাহরন দেয়, অথচ আমেরিকায় এখনো সেন্ট'এর হিসাব চলে।
মুল কথা হোলও যে দেশে মালের মত ছাগল, ইনুর মত বেইমান, নাহিদের মত দালাল, মেননের মত গাদ্দার, হানিফের মত সর্বহারা মন্ত্রী হতে পারে সেই দেশে বিদেশী স্বার্থ দেখার জন্য কোন লবিস্ট নিয়োগ দেয়া লাগে না।

Monday, May 16, 2016

একটা ছেলে (song)

akta chele rastar pase bose
cigarete hate tar kijeno ki babe  (2)
majhe majhe hote chai she baristar
khokhono she hoye jai chitro jogoter star
kho-khono she hoye jabe ganer kono shilpi
dadu bale bondho tui gan tu kobe shikbi
gan shikha bad diye gitare tal tule
rastar udachi meye tar preme pore
akta chele rastar pase bose
cigarete hate tar kijeno ki babe (1)
 udashi hole poradin noy te she
chera kagoge kabbo likhe dite she
udashi hole poradin noy te she
chera kagoge kabbo likhe dite she
moner maje rongin shopono bune
jabe she akdin oshim oi akashe
akta chele rastar pase bose
cigarete hate tar kijeno ki babe
akta chele rastar pase bose
cigarete hate tar kijeno ki babe
majhe majhe hote chai she baristar
khokhono she hoye jai chitro jogoter star
kho-khono she hoye jabe ganer kono shilpi
dadu bale bondho tui gan tu kobe shikbi
gan shikha bad diye gitare tal tule
rastar udachi meye tar preme pore
akta chele rastar pase bose
akta chele rastar pase bose
cigarete hate tar kijeno ki babe

Friday, May 13, 2016

Islam

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

 প্রিন্স tv সুবিখ্যাত বক্তা জনাব শায়খ আব্দর রাজ্জাক বলেছেন ।
একজন মহিলা আরেক জন মহিলার শরীরের কোন  অঙ্গ স্পর্শ করতে পারবে না।

কিছু জাল হাদিস
https://www.youtube.com/watch?v=-RuJ9Ajd8wM

Thursday, May 5, 2016

IBA সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ

প্রশ্নঃ আইবিএ কি?
ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনেসট্রশন । এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান যেখানে বিবিএ ও এমবিএ, এক্সিকিউটিভ এমবিএ, ডিবিএ পড়ানো হয়।

প্রশ্নঃ আইবিএ বলতে কি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরআইবিএকেই বোঝায় ?
না, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইবিএ আছে, জাহাঙ্গীরনগরে আইবিএ আছে কিন্তু এখনও মানুষ আইবিএ বলতে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের আইবিএটাকেই বোঝে। প্রশ্নঃ আইবিএতে কারা পড়তে পারে? যেকোন গ্রুপ থেকে (সাইন্স/আর্টস/কমার্স) এইচ এসসি পাশ করার পরে বিবিএতে আর যেকোন গ্রুপ থেকে (সাইন্স/আর্টস/ কমার্স) অনার্স/বিবিএ/বিএসসি/পাশ কোর্স করে এমবিএতে ভর্তী পরীক্ষা দেয়া যায়।

প্রশ্নঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের/প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা কি এখানে পড়তে পারবে?
হ্যাঁ অবশ্যই পারেবে এবং এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই এখানে পড়তেছে।

প্রশ্নঃ এখানে ভর্তীর যোগ্যতা কি?
বিবিএতে ভর্তীর যোগ্যতা: যেকোন গ্রুপ থেকে এসএসসিতে ৪.০০, এইচএসসিতে ৪.০০ ।
এমবিএতে ভর্তীর যোগ্যতা: যেকোন গ্রুপ থেকে এসএসসিতে ৩.০০, এইচএসসিতে ৩.০০ অনার্স এ সেকেন্ড ক্লাশ বা ২.৫০ হলেই হবে। লাস্ট ইনটেকে অনার্সে ২ পর্যন্ত এলাউ করেছে ।

প্রশ্নঃ ডিগ্রীর বা ন্যাশনাল ভার্সিটির, মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্র-ছাত্রীরা কি IBA-MBA করতে পারে?
হ্যাঁ পারে, ইন ফ্যাক্ট এটাই আইবিএর স্বতন্ত্র । যে কেউ আইবিএতে পড়তে পারবে । কোন ডিস্ক্রিমিনেশন নেই । একজন বুয়েটের ছেলেও হয়ত বাদ পড়তে পারে আবার একজন ঢাকার বাইরের কোন অখ্যাত কলেজ থেকে পাশ করা ছেলেও চান্স পেতে পারে যদি সে Admission Test এ ভাল করে।

প্রশ্নঃ আই বি এ র অধিকাংশই কি ইংলিশ মিডিয়ামের ?
এটা একটা পপুলার মিথ । বাট ঘটনা ঠিক উল্টোটা বিশেষ করে এমবিএর ক্ষেত্রে । অধিকাংশ ছেলে-মেয়েই বাংলা মিডিয়ামের ।

প্রশ্নঃ আইবিএর এমবিএতে কয় ধরনের এমবিএ আছে?
দুই ধরণের-রেগুলার এমবিএ আর এক্সিকিউটিভ এমবিএ রেগুলার এমবিএর আবার দুটো ধরণ আছে একটা পার্ট টাইম, যেটার ক্লাশ হয় সন্ধ্যায়, আর ফুল টাইম- এদের ক্লাশ হয় দিনের বেলায়, এছাড়া এক্সিকিউটিভ এমবিএর ক্লাশও রাতে হয়।

প্রশ্নঃ এক্সিকিউটিভ এমবিএর জন্য যোগ্যতা কি লাগে? গ্রাজুয়েশন + কমপক্ষে ০৩ বছরের চাকুরীর অভিজ্ঞতা

প্রশ্নঃ এক্সিকিউটিভ এমবিএ আর রেগুলার এমবিএর মধ্যে পার্থক্য কি?

রেগুলার এমবিএর মোট কোর্স ২০টি, এক্সিকিউটিভ এমবিএ এর মোট কোর্স 15 টি, রেগুলার এমবিএ করতে সময় লাগে ২ বছর থেকে ৩.৫ বছর আর এক্সিকিউটিভ এমবিএ করতে সময় লাগে ১.৫ থেকে ২ বছর, রেগুলার এমবিএ পড়তে মোট খরচ ৮০ হাজার টাকার মত আর এক্সিকিউটিভ এমবিএ এর মোট খরচ ২.৫ লাখ প্রায়। রেগুলার এমবিএ করতে অভিজ্ঞতা লাগেনা আর এক্সিকিউটিভ এমবিএ করতে ০৩(তিন)বছরের ফুল টাইম জবের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

প্রশ্নঃ রেগুলার এমবিএ আর এক্সিকিউটিভ এমবিএর মধ্যে ভাল কোনটা?
দুটোই ভাল, তবে রেগুলারটার ভ্যালু একটু বেশী । রেগুলারটা ফ্রেশ গ্রাজুয়েটদের জন্য আর এক্সিকিউটিভ টা ম্যানেজারিয়ল লেভেল এর জন্য ভাল।

প্রশ্নঃ এক্সামে কম্টিটিশন কেমন ভাই?
প্রতিযোগির সংখ্যা-রেগুলার এমবিএ: ৩০০০ থেকে ৩৫০০ হাজার । এক্সিকিউটিভ এমবিএ: .৫০০-৬০০ আসলে কত জন এক্সাম দিচ্ছে এটা ফ্যাক্টর না । কারা দিচ্ছে এটা ফ্যাক্টর । কোন লেভেলের ক্যান্ডিডেটরা দিচ্ছে এটা ফ্যাক্টর । এখানে মেইন কম্পিটিশন হয় ব্যাসিকালী ৬০০-৭০০ স্টুডেন্টদের মধ্যে । এদের মধ্যে আছে ঢাবি, বুয়েটসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের টপ গ্রাজুয়েটরা ।

প্রশ্নঃ রেগুলার এমবিএর ক্লাশ কবে কবে হয়?
সপ্তাহে চারদিন ক্লাশ থাকে, আর এটা নির্ভর করবে একটা সেমিস্টার এ আপনি কি কি সাবজেক্ট নিবেন।

প্রশ্নঃ এখানে কতবার পরীক্ষা দেয়া যায়?
যতবার ইচ্ছা দিতে পারবেন।

প্রশ্নঃ ভর্তী পরীক্ষা বছরে কতবার অনুষ্ঠিত হয়?
বিবিএ: বছরে ০১(এক) বার-ডিসেম্বর মাসে

রেগুলার এমবিএ: বছরে দুইবার জুনে একবার আর ডিসেম্বরে
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: বছরে তিন বার, জানুয়ারি-এপ্রিল- অক্টোবর

প্রশ্নঃ আসন কত?
বিবিএ: ১২০টি রেগুলার এ

মবিএ: জুনে ৬০ জন আর ডিসেম্বরে ১২০ জন
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: প্রতিবার ৪০ জন করে। বছরে মোট ১২০ জন

প্রশ্নঃ আইবিএ থেকে পাশ করলে চাকুরীর নিশ্চয়তা কি?
পাশ করার আগেই হয়ত চাকুরী হয়ে যাবে ।

প্রশ্নঃ যারা আইবিএর বিবিএ করে তাদেরও কি আবার এমবিএতে ভর্তী পরীক্ষা দিতে হয় নাকি সরাসরি ভর্তি হয়?
আইবিএতে সবাইকেই ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়।

Tuesday, April 26, 2016

মাঝ রাতে চাঁদ যদি আলো না বিলায়





মাঝ রাতে চাঁদ যদি 
আলো না বিলায় 
ভেবে নেবো আজ তুমি চাঁদ দেখোনি 
আকাশের নীল যদি আধাঁরে মিলায় 
বুঝে নেবো তারে তুমি মনে রাখোনি। 

আকাশের বুক চিরে যদি ঝরে জল 
বুঝে নেবো অভিমানে তুমি কেঁদেছো 
সরোবরে যদি ফোটে রক্ত কমল 
অনুভবে বুঝে নেবো মান ভেঙ্গেছো। 

রূপালী বিজলী যদি নিরব থাকে 
কেঁদোনা ভেবো শুধু আমিতো আছি 
স্বপ্নলোকেতে যদি ময়ূরী ডাকে 
বুঝে নিও আমি আছি কাছাকাছি। 


শিল্পীঃ সাইদ হাসান টিপু 
অ্যালবামঃ অবসকিউর 
সুরকারঃ অবসকিউর* 
গীতিকারঃ অবসকিউর* 
বছরঃ ১৯৮৮/৮৯**